ঢাকা , শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫ , ২১ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ , ই-পেপার
সংবাদ শিরোনাম
বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পে বড় আঘাত গণতান্ত্রিক স্থিতিশীল শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশের প্রতি সমর্থন মোদির দুর্নীতি প্রতিরোধে কাজ করতে বাংলাদেশ-থাইল্যান্ড এমওইউ মোদীকে দশ বছর আগের কথা মনে করিয়ে ছবি উপহার ইউনূসের নতুন সমীকরণে বাংলাদেশ-ভারত বাস চালকের হদিস মেলেনি আহত শিশু আরাধ্যকে ঢাকায় হস্তান্তর নিহত বেড়ে ১১ স্বস্তির ঈদযাত্রায় সড়কে ঝরলো ৬০ প্রাণ চালের চেয়েও ছোট পেসমেকার বানালেন মার্কিন বিজ্ঞানীরা আ’লীগের নেতাদের রাজকীয় ঈদ উদযাপনে ক্ষুব্ধ কর্মীরা আন্দোলনে ফিরবেন বেসরকারি কলেজ শিক্ষকরা মাদারীপুরে আগুনে পুড়ল ২ বাড়ি ভৈরবের ত্রি-সেতুতে দর্শনার্থীদের ভিড় বর্ষবরণের আয়োজন, পাহাড়ে উৎসবের রঙ ঈদের আমেজ কাটেনি বিনোদন স্পটে ভিড় আ’লীগকে নিষিদ্ধ করা বিএনপির দায়িত্ব নয় নতুন নিয়মে বিপাকে ট্রাভেল এজেন্সিগুলো ঈদের আগে বেতন-বোনাস পেয়ে স্বস্তিতে সাড়ে ৩ লাখ এমপিওভুক্ত শিক্ষক ঈদযাত্রায় সদরঘাটে চিরচেনা ভিড় মিয়ানমারে ভূমিকম্পে শতাধিক মানুষের মৃত্যুর আশঙ্কা

মাদারীপুরে আগুনে পুড়ল ২ বাড়ি

  • আপলোড সময় : ০৪-০৪-২০২৫ ১১:২৯:১৫ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ০৪-০৪-২০২৫ ১১:২৯:১৫ অপরাহ্ন
মাদারীপুরে আগুনে পুড়ল ২ বাড়ি
মাদারীপুর প্রতিনিধি
মাদারীপুরে আগুনে পুড়েছে ১৮ দোকান, দুই বাড়ি ও তিন গোডাউন। এতে কয়েক কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি ব্যবসায়ীদের। গত বৃহস্পতিবার দিনগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে শহরের বাণিজ্যিক এলাকা পুরাণবাজারে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাত সাড়ে ৩টার দিকে সৌরভ হার্ডওয়্যারের দোকান থেকে প্রথমে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তেই আগুন চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় স্থানীয় মিজানুর রহমানের মালিকানাধীন বাড়ি ও ১৫ দোকান ও শহিদ খানের বাড়ি ও তার মালিকানাধীন তিন দোকান (হার্ডওয়ার) ও তিন গোডাউন পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। মাদারীপুর ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক শফিকুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে মাদারীপুর, কালকিনি ও টেকেরহাট ফায়ার সার্ভিসের ছয়টি ইউনিট প্রায় সাড়ে তিন ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এর আগেই প্ুেড় ছাই হয়ে যায় কাপড়, গার্মেন্টস, কসমেটিকসের ১৮টি দোকান। এ সময় দুটি বাড়ি, তিনটি গোডাউন ও ১৮টি দোকান পুড়ে যায়। এতে কয়েক কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের। কসমেটিকস ব্যবসায়ী ‘মুন্সী ভ্যারাইটিজ কর্নারের’ মালিক মোহাম্মদ সুমন বলেন, আমার দোকানে ৩০ থেকে ৩৫ লাখ টাকার মাল ছিল। আমি ঈদের জন্য মাল কিনেছিলাম। কিন্তু সব বিক্রি করতে পারিনি। আমার অনেক ঋণ রয়েছে। আমি যাতে আবার ঘুরে দাঁড়াতে পারি, তার জন্য সরকারের কাছে সহযোগিতা দাবি করছি। ব্যাগ ব্যবসায়ী ‘চায়না ব্রাদার্সের’ মালিক জুয়েল হোসেন বলেন, আমার দোকানে ১০ থেকে ১৫ লাখ টাকার মালামাল ছিল। আমি এমনিতেই ঋণগ্রস্ত। আগুনে পুড়ে আমি সর্বস্বান্ত হয়ে গেছি। আমার আর ঘুরে দাঁড়ানোর রাস্তা নেই। সরকারের কাছে দাবি জানাই, যেন আমার পাশে থাকে। স্থানীয়দের দাবি, বাণিজ্যিক এলাকা পুরাণবাজারে পানি সরবরাহ করতে দেরি হওয়ার আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে বেগ পেতে হয়েছে। শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। আগামীতে যেন এ ধরনের ক্ষয়ক্ষতি না হয় এ জন্য এ এলাকায় একটি ফায়ার স্টেশন করার দাবি করেন তারা।
 

নিউজটি আপডেট করেছেন : Dainik Janata

কমেন্ট বক্স
প্রতিবেদকের তথ্য